ঢাকা , রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
বিএনপির ত্যাগী নেতাদের চাকরি, ডিলারশিপ ও ঠিকাদারি দিয়ে মূল্যায়ন করা হবে: প্রতিমন্ত্রী বাঁচার জন্য আ.লীগ-ছাত্রলীগের অনেকে এখন জামায়াত হয়ে যাচ্ছে: রাশেদ খাঁন সাজেক পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ ঘোষণা ঢাবির ৫৪তম সমাবর্তন আগামী বছরের ২৬ জানুয়ারি দুর্গাপূজার ছুটিতে এবারও বিশেষ ট্রেন, বাড়তি বগি প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের কর্মসংস্থানে কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নে কমিটি অভিনেত্রী নাসিমা খান মারা গেছেন নভেম্বরের শেষেই রূপপুর থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের আশা রোসাটমের হত্যাকাণ্ডে নতুন তথ্য: তাজমীন কীভাবে কক্সবাজারে গেল, জানালেন মা অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে সোবহানার ঐতিহাসিক সেঞ্চুরি, জুটিতেও রেকর্ড

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২য় সমাবর্তন ২০২৭ সালের ২৩ জানুয়ারি

সাংবাদিক

দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় সমাবর্তনের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। আগামী ২৩ জানুয়ারি ২০২৭ বিশ্ববিদ্যালয়টির দ্বিতীয় সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম আমানুল্লাহ। প্রথম সমাবর্তনের প্রায় ১০ বছর পর হতে যাওয়া এই আয়োজনের মাধ্যমে দীর্ঘদিন পর সমাবর্তনে অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবেন বিশ্ববিদ্যালয়টির গ্র্যাজুয়েটরা।

সম্প্রতি ঢাকা পোস্টকে উপাচার্য জানান, দ্বিতীয় সমাবর্তন আয়োজনের প্রস্তুতি নিয়ে কাজ করছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। তিনি বলেন, প্রাথমিকভাবে ২০২৭ সালের ২৩ জানুয়ারি সমাবর্তনের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। কোন কোন ব্যাচের গ্র্যাজুয়েটরা এতে অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবেন, কতজন শিক্ষার্থী নিবন্ধন করতে পারবেন এবং কোথায় অনুষ্ঠান হবে এসব বিষয়ে পরবর্তী সময়ে বিস্তারিত জানানো হবে।

এর আগে, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পর প্রথম সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হয় ২০১৭ সালের ১৭ জানুয়ারি। রাজধানীর চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত ওই অনুষ্ঠানে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর মো. আবদুল হামিদ সভাপতিত্ব করেন। এতে ১৯৯৮ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত স্নাতক (পাস ও সম্মান) এবং স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জনকারী ৪ হাজার ৯৩২ জন গ্র্যাজুয়েট অংশ নেন। সমাবর্তন বক্তা ছিলেন তৎকালীন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবদুল মান্নান।

প্রথম সমাবর্তনের পর দ্বিতীয় আয়োজনের জন্য দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয়েছে গ্র্যাজুয়েটদের। বিভিন্ন সময়ে সমাবর্তনের প্রত্যাশা থাকলেও তা আয়োজন করা সম্ভব হয়নি। এবার তারিখ নির্ধারণের মধ্য দিয়ে সেই অপেক্ষার অবসান হতে যাচ্ছে।

১৯৯২ সালে প্রতিষ্ঠিত জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের কলেজকে একটি কেন্দ্রীয় প্রশাসনিক কাঠামোর আওতায় এনে উচ্চশিক্ষার সুযোগ বিস্তারের লক্ষ্য নিয়ে যাত্রা শুরু করে। বর্তমানে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের দুই হাজারের বেশি অধিভুক্ত কলেজের শিক্ষার্থীরা এই বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে পড়াশোনা করছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, এর অধীনে প্রায় ২৯ লাখ শিক্ষার্থী উচ্চশিক্ষার সঙ্গে যুক্ত।

বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ম অনুযায়ী, সমাবর্তন হলো ডিগ্রি অর্জনকারী শিক্ষার্থীদের আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দেওয়ার আয়োজন। এতে চ্যান্সেলর বা তার মনোনীত প্রতিনিধি গ্র্যাজুয়েটদের ডিগ্রি দেন। একই অনুষ্ঠানে কৃতি শিক্ষার্থীদের একাডেমিক সম্মাননা ও স্বর্ণপদক দেওয়া হয়। পাশাপাশি একজন বিশিষ্ট ব্যক্তিকে সমাবর্তন বক্তা হিসেবে আমন্ত্রণ জানানো হয়।

দ্বিতীয় সমাবর্তন সামনে রেখে এখন গ্র্যাজুয়েটদের নিবন্ধন, সনদ প্রস্তুত, একাডেমিক পোশাক, অনুষ্ঠানস্থলসহ আনুষঙ্গিক বিষয় নিয়ে কাজ করবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। কোন শিক্ষাবর্ষ পর্যন্ত গ্র্যাজুয়েটরা সমাবর্তনে অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবেন, তা চূড়ান্ত হলে নিবন্ধনসহ পরবর্তী কার্যক্রম শুরু হবে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপডেটের সময় : ০৭:১৩:৩৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
৫৭৮ Time View

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২য় সমাবর্তন ২০২৭ সালের ২৩ জানুয়ারি

আপডেটের সময় : ০৭:১৩:৩৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় সমাবর্তনের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। আগামী ২৩ জানুয়ারি ২০২৭ বিশ্ববিদ্যালয়টির দ্বিতীয় সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম আমানুল্লাহ। প্রথম সমাবর্তনের প্রায় ১০ বছর পর হতে যাওয়া এই আয়োজনের মাধ্যমে দীর্ঘদিন পর সমাবর্তনে অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবেন বিশ্ববিদ্যালয়টির গ্র্যাজুয়েটরা।

সম্প্রতি ঢাকা পোস্টকে উপাচার্য জানান, দ্বিতীয় সমাবর্তন আয়োজনের প্রস্তুতি নিয়ে কাজ করছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। তিনি বলেন, প্রাথমিকভাবে ২০২৭ সালের ২৩ জানুয়ারি সমাবর্তনের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। কোন কোন ব্যাচের গ্র্যাজুয়েটরা এতে অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবেন, কতজন শিক্ষার্থী নিবন্ধন করতে পারবেন এবং কোথায় অনুষ্ঠান হবে এসব বিষয়ে পরবর্তী সময়ে বিস্তারিত জানানো হবে।

এর আগে, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পর প্রথম সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হয় ২০১৭ সালের ১৭ জানুয়ারি। রাজধানীর চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত ওই অনুষ্ঠানে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর মো. আবদুল হামিদ সভাপতিত্ব করেন। এতে ১৯৯৮ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত স্নাতক (পাস ও সম্মান) এবং স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জনকারী ৪ হাজার ৯৩২ জন গ্র্যাজুয়েট অংশ নেন। সমাবর্তন বক্তা ছিলেন তৎকালীন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবদুল মান্নান।

প্রথম সমাবর্তনের পর দ্বিতীয় আয়োজনের জন্য দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয়েছে গ্র্যাজুয়েটদের। বিভিন্ন সময়ে সমাবর্তনের প্রত্যাশা থাকলেও তা আয়োজন করা সম্ভব হয়নি। এবার তারিখ নির্ধারণের মধ্য দিয়ে সেই অপেক্ষার অবসান হতে যাচ্ছে।

১৯৯২ সালে প্রতিষ্ঠিত জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের কলেজকে একটি কেন্দ্রীয় প্রশাসনিক কাঠামোর আওতায় এনে উচ্চশিক্ষার সুযোগ বিস্তারের লক্ষ্য নিয়ে যাত্রা শুরু করে। বর্তমানে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের দুই হাজারের বেশি অধিভুক্ত কলেজের শিক্ষার্থীরা এই বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে পড়াশোনা করছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, এর অধীনে প্রায় ২৯ লাখ শিক্ষার্থী উচ্চশিক্ষার সঙ্গে যুক্ত।

বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ম অনুযায়ী, সমাবর্তন হলো ডিগ্রি অর্জনকারী শিক্ষার্থীদের আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দেওয়ার আয়োজন। এতে চ্যান্সেলর বা তার মনোনীত প্রতিনিধি গ্র্যাজুয়েটদের ডিগ্রি দেন। একই অনুষ্ঠানে কৃতি শিক্ষার্থীদের একাডেমিক সম্মাননা ও স্বর্ণপদক দেওয়া হয়। পাশাপাশি একজন বিশিষ্ট ব্যক্তিকে সমাবর্তন বক্তা হিসেবে আমন্ত্রণ জানানো হয়।

দ্বিতীয় সমাবর্তন সামনে রেখে এখন গ্র্যাজুয়েটদের নিবন্ধন, সনদ প্রস্তুত, একাডেমিক পোশাক, অনুষ্ঠানস্থলসহ আনুষঙ্গিক বিষয় নিয়ে কাজ করবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। কোন শিক্ষাবর্ষ পর্যন্ত গ্র্যাজুয়েটরা সমাবর্তনে অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবেন, তা চূড়ান্ত হলে নিবন্ধনসহ পরবর্তী কার্যক্রম শুরু হবে।