ঢাকা , রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
বিএনপির ত্যাগী নেতাদের চাকরি, ডিলারশিপ ও ঠিকাদারি দিয়ে মূল্যায়ন করা হবে: প্রতিমন্ত্রী বাঁচার জন্য আ.লীগ-ছাত্রলীগের অনেকে এখন জামায়াত হয়ে যাচ্ছে: রাশেদ খাঁন সাজেক পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ ঘোষণা ঢাবির ৫৪তম সমাবর্তন আগামী বছরের ২৬ জানুয়ারি দুর্গাপূজার ছুটিতে এবারও বিশেষ ট্রেন, বাড়তি বগি প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের কর্মসংস্থানে কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নে কমিটি অভিনেত্রী নাসিমা খান মারা গেছেন নভেম্বরের শেষেই রূপপুর থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের আশা রোসাটমের হত্যাকাণ্ডে নতুন তথ্য: তাজমীন কীভাবে কক্সবাজারে গেল, জানালেন মা অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে সোবহানার ঐতিহাসিক সেঞ্চুরি, জুটিতেও রেকর্ড

শেফালির সেঞ্চুরির পর বাংলাদেশের ব্যাটিং ধস, ১১৪ রানে হার

সাংবাদিক

এশিয়ান গেমসের সেমিফাইনালে ভারতীয় নারী ক্রিকেট দলের ওপেনার শেফালি ভর্মার ব্যাটে ঝড় উঠল। তাঁর দুর্দান্ত সেঞ্চুরিতে ভর করে ভারত ১৯৫ রানের বড় সংগ্রহ গড়ে। জবাবে ব্যাটিং বিপর্যয়ে শেফালির একার রানের কাছাকাছিও যেতে পারেনি বাংলাদেশ। ৮১ রানে অলআউট হয়ে ১১৪ রানের বড় ব্যবধানে হেরে গেছে টাইগ্রেসরা।

রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) টস জিতে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে পাওয়ার প্লেতেই ৭২ রান তুলে নেয় ভারত। ইনিংসের শেষ বলে ৩৭ রান করা স্মৃতি মান্ধানাকে ফিরিয়ে উদ্বোধনী জুটি ভাঙেন নাহিদা আক্তার।

এরপর গুনালান কামালিনিও বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। দলীয় ৮৫ রানে তাঁর উইকেট তুলে নেন সানজিদা আক্তার মেঘলা। এরপর শুরু হয় শেফালি ঝড়।

হারমানপ্রীত কৌরের সঙ্গে তৃতীয় উইকেটে ৯৪ রানের জুটি গড়ে ভারতের ইনিংসকে বড় সংগ্রহের দিকে নিয়ে যান শেফালি। দলীয় ১৭৯ রানে ৪০ রান করে হারমানপ্রীতকে ফেরান রাবেয়া খান। পরের ওভারে ২ রান করা রিচা ঘোষকে আউট করেন মারুফা আক্তার।

তবে একপ্রান্তে অবিচল ছিলেন শেফালি। মাত্র ৪৯ বলে সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন তিনি। তাঁর ইনিংসে ছিল ৩টি চার ও ৯টি ছক্কা। শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থেকেই মাঠ ছাড়েন এই ভারতীয় ওপেনার।

১৯৬ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে বাংলাদেশ। পাওয়ার প্লের মধ্যেই ৩৮ রানে ৩ উইকেট হারায় দলটি। ওপেনার দিলারা আক্তার ছাড়া প্রথম পাঁচ ব্যাটারের চারজনই এক অঙ্কের রানে সাজঘরে ফেরেন।

পরে ষষ্ঠ ব্যাটার শারমিন আক্তার দুই অঙ্কের ঘরে পৌঁছে ১০ রান করেন। বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ ২৭ রান করেন দিলারা আক্তার। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১২ রানে অপরাজিত থাকেন সুলতানা খাতুন।

শেষ পর্যন্ত ১৫.৪ ওভারে মাত্র ৮১ রানে অলআউট হয় বাংলাদেশ। ফলে ১১৪ রানের বড় ব্যবধানে হেরে এশিয়ান গেমসের ফাইনালে ওঠার সুযোগ হারায় টাইগ্রেসরা।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপডেটের সময় : ০৯:০৩:৩২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
৫৭৭ Time View

শেফালির সেঞ্চুরির পর বাংলাদেশের ব্যাটিং ধস, ১১৪ রানে হার

আপডেটের সময় : ০৯:০৩:৩২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

এশিয়ান গেমসের সেমিফাইনালে ভারতীয় নারী ক্রিকেট দলের ওপেনার শেফালি ভর্মার ব্যাটে ঝড় উঠল। তাঁর দুর্দান্ত সেঞ্চুরিতে ভর করে ভারত ১৯৫ রানের বড় সংগ্রহ গড়ে। জবাবে ব্যাটিং বিপর্যয়ে শেফালির একার রানের কাছাকাছিও যেতে পারেনি বাংলাদেশ। ৮১ রানে অলআউট হয়ে ১১৪ রানের বড় ব্যবধানে হেরে গেছে টাইগ্রেসরা।

রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) টস জিতে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে পাওয়ার প্লেতেই ৭২ রান তুলে নেয় ভারত। ইনিংসের শেষ বলে ৩৭ রান করা স্মৃতি মান্ধানাকে ফিরিয়ে উদ্বোধনী জুটি ভাঙেন নাহিদা আক্তার।

এরপর গুনালান কামালিনিও বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। দলীয় ৮৫ রানে তাঁর উইকেট তুলে নেন সানজিদা আক্তার মেঘলা। এরপর শুরু হয় শেফালি ঝড়।

হারমানপ্রীত কৌরের সঙ্গে তৃতীয় উইকেটে ৯৪ রানের জুটি গড়ে ভারতের ইনিংসকে বড় সংগ্রহের দিকে নিয়ে যান শেফালি। দলীয় ১৭৯ রানে ৪০ রান করে হারমানপ্রীতকে ফেরান রাবেয়া খান। পরের ওভারে ২ রান করা রিচা ঘোষকে আউট করেন মারুফা আক্তার।

তবে একপ্রান্তে অবিচল ছিলেন শেফালি। মাত্র ৪৯ বলে সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন তিনি। তাঁর ইনিংসে ছিল ৩টি চার ও ৯টি ছক্কা। শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থেকেই মাঠ ছাড়েন এই ভারতীয় ওপেনার।

১৯৬ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে বাংলাদেশ। পাওয়ার প্লের মধ্যেই ৩৮ রানে ৩ উইকেট হারায় দলটি। ওপেনার দিলারা আক্তার ছাড়া প্রথম পাঁচ ব্যাটারের চারজনই এক অঙ্কের রানে সাজঘরে ফেরেন।

পরে ষষ্ঠ ব্যাটার শারমিন আক্তার দুই অঙ্কের ঘরে পৌঁছে ১০ রান করেন। বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ ২৭ রান করেন দিলারা আক্তার। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১২ রানে অপরাজিত থাকেন সুলতানা খাতুন।

শেষ পর্যন্ত ১৫.৪ ওভারে মাত্র ৮১ রানে অলআউট হয় বাংলাদেশ। ফলে ১১৪ রানের বড় ব্যবধানে হেরে এশিয়ান গেমসের ফাইনালে ওঠার সুযোগ হারায় টাইগ্রেসরা।