নাইট ক্লাব কাণ্ডে বিপাকে সাদ-সোহেল
গত ১ অক্টোবর ফিফা আসিয়ান কাপের গ্রুপ পর্বে ইন্দোনেশিয়ার কাছে ৯-২ গোলের বড় ব্যবভানে হারে বাংলাদেশ। ম্যাচের পরপরই সামাজিক মাধ্যমে দুই ফুটবলার সাদ উদ্দিন ও সোহেল রানা জুনিয়রের বিরুদ্ধে নাইট ক্লাবে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
তাদের দাবি, সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ছবিটি পুরনো এবং ইন্দোনেশিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ শেষ হওয়ার পরের কোনো ঘটনার সঙ্গে এর সম্পর্ক নেই।
তবে বিতর্কটি নিয়ে গভীর হতাশা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। রোববার জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ টাওয়ারে এশিয়ান গেমসে উশুতে পদকজয়ী জিন্নাত আক্তারকে দেওয়া সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি জানান, অভিযোগের সত্যতা অনুসন্ধানে তদন্ত শুরু হয়েছে।
আমিনুল হক বলেন, ‘ফুটবলের ফলাফল এমনিতেই খুব বাজে হয়েছে। তার ওপর এই অভিযোগ এসেছে। আমি অত্যন্ত হতাশ। তৎকালীন দলের দায়িত্বে বা ম্যানেজমেন্টে কারা ছিলেন, আমরা সেটিও খতিয়ে দেখছি।’
খেলোয়াড়দের শৃঙ্খলা ও আচরণের বিষয়ে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট দুই ফুটবলারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, ‘আমি পরিষ্কার করে বলছি, তাদের নাইট ক্লাবে যাওয়ার অভিযোগ প্রমাণিত হলে শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আর তারা যদি ক্রীড়া ভাতা কর্মসূচির অন্তর্ভুক্ত হয়ে থাকেন, তবে তাও বাতিল করা হবে।’
ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমি বাফুফে সভাপতি তাবিথ আউয়ালের সঙ্গে কথা বলেছি। তিনি বর্তমানে দেশের বাইরে আছেন। তিনি ফিরলে বাকি বিষয়গুলো নিয়ে কাজ করবো। এ বিষয়ে ইতিমধ্যে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘এ ধরনের পারফরম্যান্সের পর তারা কীভাবে এমন কাজ করার সাহস পেলো, তাও গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হবে। পুরো বিষয়টিরই নিরপেক্ষ তদন্ত হবে।’






















প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ব্রিটিশ হাই কমিশনারের সাক্ষাৎ