ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে উপকারী যে ৩ ধরনের আটার রুটি
ডায়াবেটিস থাকলে অনেকেই ভাতের পরিবর্তে রুটি খান। যদিও ডায়াবেটিস থাকলে ভাত বা রুটি পরিমিত পরিমাণেই খেতে বলা হয়। বিশেষ করে যাদের রক্তে শর্করার পরিমাণ অনিয়ন্ত্রিত থাকে তাদের শর্করা জাতীয় খাবার খেতে নিষেধ করা হয়। কেউ যদি ভাত বা রুটি খাওয়া বাদ দিতে না পারেন তাহলে খাওয়ার ধরন বদলানো জরুরি। সেক্ষেত্রে গমের আটার রুটি না খেয়ে এমন রুটি খান যা রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখবে। আবার খেতেও ভালো লাগে। যেমন-
রাগি ও মেথি শাকের রুটি
রাগি বা মিলেট প্রোটিন, ফাইবারে ভরপুর। রাগি খেলে রক্তে শর্করার পরিমাণ বাড়ে না, সেই সঙ্গে খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রাও কমে যায়। রক্তে শর্করার পরিমাণ খুব বেশি থাকলে রাগির আটার সঙ্গে মেথি শাক মিশিয়ে নিতে পারেন। মেথি রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। একটি পাত্রে রাগির আটা, মেথি শাক, জোয়ান ও লবণ ভালো করে মিশিয়ে নিন। অল্প অল্প গরম পানি দিয়ে নরম করে মাখুন। ১০ মিনিট ঢেকে রেখে দিন। এর পর মাঝারি আকারের লেচি কেটে সামান্য শুকনো আটা ছড়িয়ে হালকা হাতে বেলে তাওয়ায় এপিঠ-ওপিঠ সেঁকে নিন।
জোয়ার ও পালং শাকের রুটি
জোয়ারের গ্লাইসেমিক ইনডেক্স গমের চেয়েও কম। এটি খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা হঠাৎ করে বাড়তে পারে না। জোয়ার ও পালং শাকে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার, আয়রন, ক্যালশিয়াম ও ম্যাগনেশিয়াম থাকায় ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য ভালো। জোয়ারের আটার সঙ্গে কুচোনো পালং শাক, জোয়ান এবং রসুনবাটা মিশিয়ে নিন। ভালো করে মেখে লেচি কেটে হালকা হাতে বেলুন। কম আঁচে তাওয়ায় সেঁকে নিন।
ওটস ও সবজির রুটি
দেড় কাপ ওট্স ব্লেন্ডারে দিয়ে গুঁড়ো করে আটা তৈরি করে নিন। এবার ভাল ভাবে মেখে বানিয়ে নেওয়া নিন স্বাস্থ্যকর রুটি। চাইলে ওট্সের আটার সঙ্গে মিহি করে গ্রেট করা গাজর, শিম মিশিয়ে নিতে পারেন। এই আটা মাখার সময়ে গরম পানি আর এক ফোঁটা তেল দিয়ে দিন। তাহলে রুটি নরম হবে।আটার রুটি যেভাবে বানান সেভাবেই ওটস আর সবজির রুটি তৈরি করুন। সূত্র: আনন্দবাজার




























আখতারুজ্জামানের জামিন হয়নি, এজলাসে হট্টগোল-বাইরে হাতাহাতি