ঢাকা , মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬, ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সাংবাদিকপুত্র নাভান মনির মাহির সরকারি বৃত্তি লাভ বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে যুবদল, বাঁশখালীতে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প ও ত্রাণ বিতরণ মানুষের চলাচলের দুর্ভোগ লাঘবে নিজ উদ্যোগে সাঁকো নির্মাণ ও রাস্তা সংস্কার করলেন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হাজী গোপালগঞ্জে আমার দেশ পত্রিকার সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন ফরিদগঞ্জে ভুয়া চিকিৎসকের ভুল চিকিৎসায় পঙ্গুতের পথে ৫টি শিশু, (ইউ,এন,ও) কাছে অভিযোগ সংবাদ প্রকাশের জেরে আর কত সাংবাদিক হবে হামলার শিকার? কোটালীপাড়ায় ১৫ দিনেই নতুন সড়কে ধস জাল সনদে চাকরি: জিয়ানগরের বাটাজোড় আলীম মাদ্রাসার দুই শিক্ষকের এমপিও বাতিল নরসিংদীতে মুক্তিপণ আদায়ের অভিযোগে সাংবাদিক বাবুলসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা চাঁদপুরে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে র‌্যালি, আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ

অধ্যাপক কলিমউল্লাহসহ বেরোবির সাবেক দুই ভিসির বিরুদ্ধে মামলা

সাংবাদিক

দুর্নীতির মাধ্যমে উন্নয়ন প্রকল্পের ৪ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) সাবেক দুই উপাচার্য, প্রকৌশলী ও ঠিকাদারসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। আজ বুধবার (১৮ জুন) দুদক মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
আসামিরা হলেন— বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ও প্রকল্প পরিচালক অধ্যাপক এ কে এম নূর-উন-নবী, সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ, সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলী ও দরপত্র মূল্যায়ন কমিটির সদস্য সচিব মো. জাহাঙ্গীর আলম, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মো. আব্দুস সালাম (জেভি) স্বত্বাধিকারী আ. সালাম বাচ্চু ও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স হাবিব অ্যান্ড কো. (জেভি) স্বত্বাধিকারী এম এম হাবিবুর রহমান।

অনুসন্ধান প্রতিবেদন সূত্রে জানা যায়, প্রকল্পের অনুমোদিত ডিপিপি উপেক্ষা করে নকশা পরিবর্তন ৩০ কোটি টাকার বেশি মূল্যের চুক্তি মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন ছাড়াই সম্পাদন, এবং নিরাপত্তা জামানতের টাকা এফডিআর হিসেবে ব্যাংকে জমা রেখে ঋণ প্রদানে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে ‘নো অবজেকশন সার্টিফিকেট’ প্রদানের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় অর্থের অপব্যবহার করা হয়েছে।
অনুসন্ধানে আরও দেখা যায়, চুক্তিতে অগ্রিম অর্থ প্রদানের কোনো বিধান না থাকলেও ঠিকাদারকে ব্যাংক গ্যারান্টির বিপরীতে অগ্রিম ৪ কোটি টাকার বিল প্রদান করা হয়। অথচ বিল সমন্বয়ের আগেই গ্যারান্টি অবমুক্ত করে দেওয়া হয়। এছাড়াও প্রথম পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের ডিজাইন উপেক্ষা করে দ্বিতীয় পরামর্শক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে যা সরকারি ক্রয় বিধিমালা লঙ্ঘনের শামিল। আসামিদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারা এবং বাংলাদেশ দণ্ডবিধির ৪০৯ ও ১০৯ ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে।

ট্যাগ :

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপডেটের সময় : ১০:৫৪:১১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৮ জুন ২০২৫
৮৫১ Time View

অধ্যাপক কলিমউল্লাহসহ বেরোবির সাবেক দুই ভিসির বিরুদ্ধে মামলা

আপডেটের সময় : ১০:৫৪:১১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৮ জুন ২০২৫

দুর্নীতির মাধ্যমে উন্নয়ন প্রকল্পের ৪ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) সাবেক দুই উপাচার্য, প্রকৌশলী ও ঠিকাদারসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। আজ বুধবার (১৮ জুন) দুদক মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
আসামিরা হলেন— বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ও প্রকল্প পরিচালক অধ্যাপক এ কে এম নূর-উন-নবী, সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ, সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলী ও দরপত্র মূল্যায়ন কমিটির সদস্য সচিব মো. জাহাঙ্গীর আলম, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মো. আব্দুস সালাম (জেভি) স্বত্বাধিকারী আ. সালাম বাচ্চু ও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স হাবিব অ্যান্ড কো. (জেভি) স্বত্বাধিকারী এম এম হাবিবুর রহমান।

অনুসন্ধান প্রতিবেদন সূত্রে জানা যায়, প্রকল্পের অনুমোদিত ডিপিপি উপেক্ষা করে নকশা পরিবর্তন ৩০ কোটি টাকার বেশি মূল্যের চুক্তি মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন ছাড়াই সম্পাদন, এবং নিরাপত্তা জামানতের টাকা এফডিআর হিসেবে ব্যাংকে জমা রেখে ঋণ প্রদানে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে ‘নো অবজেকশন সার্টিফিকেট’ প্রদানের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় অর্থের অপব্যবহার করা হয়েছে।
অনুসন্ধানে আরও দেখা যায়, চুক্তিতে অগ্রিম অর্থ প্রদানের কোনো বিধান না থাকলেও ঠিকাদারকে ব্যাংক গ্যারান্টির বিপরীতে অগ্রিম ৪ কোটি টাকার বিল প্রদান করা হয়। অথচ বিল সমন্বয়ের আগেই গ্যারান্টি অবমুক্ত করে দেওয়া হয়। এছাড়াও প্রথম পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের ডিজাইন উপেক্ষা করে দ্বিতীয় পরামর্শক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে যা সরকারি ক্রয় বিধিমালা লঙ্ঘনের শামিল। আসামিদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারা এবং বাংলাদেশ দণ্ডবিধির ৪০৯ ও ১০৯ ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে।