ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আইসিটি ব্যবহারিক পরীক্ষা নিয়ে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০ নির্দেশনা

সাংবাদিক

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন অনার্স প্রথম বর্ষের আইসিটি (তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি) বিষয়ের ব্যবহারিক পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে নিতে ১০টি নির্দেশনা দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এতে প্রতি সেশনে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা, পরীক্ষার সময়, কেন্দ্র নির্ধারণ, পরীক্ষক নিয়োগ, ল্যাব সুবিধা এবং ব্যবহারিক খাতা সংরক্ষণসহ বিভিন্ন বিষয়ে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রণ দপ্তর থেকে এ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়।

এতে বলা হয়, প্রতি সেশনে সর্বোচ্চ ৩০ জন পরীক্ষার্থী নিয়ে দুই ঘণ্টার মধ্যে ব্যবহারিক পরীক্ষা শেষ করতে হবে। পরীক্ষার্থীর সংখ্যা অনুযায়ী কলেজগুলো প্রয়োজনীয় সংখ্যক সেশন নির্ধারণ করে পরীক্ষা নেবে।

ব্যবহারিক পরীক্ষা নিতে প্রতিটি কলেজে প্রয়োজনীয় সংখ্যক অভ্যন্তরীণ পরীক্ষক দায়িত্ব পালন করবেন। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ প্রতিটি কলেজের জন্য বহিঃপরীক্ষক মনোনীত করবে। সাধারণত পার্শ্ববর্তী কলেজ বা একই জেলার যোগ্য শিক্ষকদের মধ্য থেকে বহিঃপরীক্ষক নির্বাচন করা হবে। একজন বহিঃপরীক্ষক সর্বোচ্চ ৯টি সেশনে ২৭০ জন পরীক্ষার্থীর পরীক্ষা নিতে পারবেন।

বিশ্ববিদ্যালয় নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই পরীক্ষা শেষ করতে হবে। এ জন্য সংশ্লিষ্ট কলেজকে বহিঃপরীক্ষকের সঙ্গে যোগাযোগ করে পরীক্ষার তারিখ নির্ধারণ করতে হবে।

সাধারণভাবে পরীক্ষার্থীদের নিজ নিজ কলেজেই ব্যবহারিক পরীক্ষা নেওয়া হবে। তবে কোনো কলেজে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৯০ জনের কম হলে পার্শ্ববর্তী কলেজের পরীক্ষার্থীদের যুক্ত করে কেন্দ্র গঠন করতে হবে। একাধিক কলেজ নিয়ে কেন্দ্র করা হলে যে কলেজে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা বেশি, সেটিকে কেন্দ্র হিসেবে নির্ধারণ করা হবে।

কোনো কলেজে প্রয়োজনীয় ল্যাব বা ব্যবহারিক সুবিধা না থাকলে বিশ্ববিদ্যালয়কে জানিয়ে বিকল্প ব্যবস্থায় পরীক্ষা নেওয়া যাবে। এ ক্ষেত্রে অস্থায়ীভাবে ল্যাব সুবিধা তৈরি, পার্শ্ববর্তী কলেজ বা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ল্যাব ব্যবহার এবং টিচার্স ট্রেনিং কলেজের ল্যাব ব্যবহারের সুযোগ রাখা হয়েছে।

মূল্যায়নের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও অ্যাকাডেমিক মান বজায় রাখার নির্দেশ দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়। অভ্যন্তরীণ ও বহিঃপরীক্ষক যৌথভাবে ব্যবহারিক পরীক্ষা গ্রহণ, মূল্যায়ন এবং সংশ্লিষ্ট আনুষঙ্গিক কাজ শেষ করবেন। নির্ধারিত তারিখ ও সময়ে পরীক্ষকদের উপস্থিত থেকে পুরো কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হবে।

এ ছাড়া, পরীক্ষার সময় শৃঙ্খলা ও স্বচ্ছতা বজায় রাখার পাশাপাশি ব্যবহারিক পরীক্ষার নির্ধারিত নিয়ম যথাযথভাবে অনুসরণ করতে বলা হয়েছে।

পরীক্ষা শেষে সব পরীক্ষার্থীর ব্যবহারিক খাতা সংশ্লিষ্ট কলেজ বা কেন্দ্রে ফল প্রকাশের দিন থেকে চার মাস সংরক্ষণ করতে হবে।

আইসিটি বিষয়ের ব্যবহারিক পরীক্ষা আয়োজনের জন্য কলেজের অধ্যক্ষকে সংশ্লিষ্ট বিভাগের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পরীক্ষা শেষ করার কথাও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপডেটের সময় : ১২:২৯:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
৫১৫ Time View

আইসিটি ব্যবহারিক পরীক্ষা নিয়ে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০ নির্দেশনা

আপডেটের সময় : ১২:২৯:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন অনার্স প্রথম বর্ষের আইসিটি (তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি) বিষয়ের ব্যবহারিক পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে নিতে ১০টি নির্দেশনা দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এতে প্রতি সেশনে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা, পরীক্ষার সময়, কেন্দ্র নির্ধারণ, পরীক্ষক নিয়োগ, ল্যাব সুবিধা এবং ব্যবহারিক খাতা সংরক্ষণসহ বিভিন্ন বিষয়ে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রণ দপ্তর থেকে এ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়।

এতে বলা হয়, প্রতি সেশনে সর্বোচ্চ ৩০ জন পরীক্ষার্থী নিয়ে দুই ঘণ্টার মধ্যে ব্যবহারিক পরীক্ষা শেষ করতে হবে। পরীক্ষার্থীর সংখ্যা অনুযায়ী কলেজগুলো প্রয়োজনীয় সংখ্যক সেশন নির্ধারণ করে পরীক্ষা নেবে।

ব্যবহারিক পরীক্ষা নিতে প্রতিটি কলেজে প্রয়োজনীয় সংখ্যক অভ্যন্তরীণ পরীক্ষক দায়িত্ব পালন করবেন। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ প্রতিটি কলেজের জন্য বহিঃপরীক্ষক মনোনীত করবে। সাধারণত পার্শ্ববর্তী কলেজ বা একই জেলার যোগ্য শিক্ষকদের মধ্য থেকে বহিঃপরীক্ষক নির্বাচন করা হবে। একজন বহিঃপরীক্ষক সর্বোচ্চ ৯টি সেশনে ২৭০ জন পরীক্ষার্থীর পরীক্ষা নিতে পারবেন।

বিশ্ববিদ্যালয় নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই পরীক্ষা শেষ করতে হবে। এ জন্য সংশ্লিষ্ট কলেজকে বহিঃপরীক্ষকের সঙ্গে যোগাযোগ করে পরীক্ষার তারিখ নির্ধারণ করতে হবে।

সাধারণভাবে পরীক্ষার্থীদের নিজ নিজ কলেজেই ব্যবহারিক পরীক্ষা নেওয়া হবে। তবে কোনো কলেজে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৯০ জনের কম হলে পার্শ্ববর্তী কলেজের পরীক্ষার্থীদের যুক্ত করে কেন্দ্র গঠন করতে হবে। একাধিক কলেজ নিয়ে কেন্দ্র করা হলে যে কলেজে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা বেশি, সেটিকে কেন্দ্র হিসেবে নির্ধারণ করা হবে।

কোনো কলেজে প্রয়োজনীয় ল্যাব বা ব্যবহারিক সুবিধা না থাকলে বিশ্ববিদ্যালয়কে জানিয়ে বিকল্প ব্যবস্থায় পরীক্ষা নেওয়া যাবে। এ ক্ষেত্রে অস্থায়ীভাবে ল্যাব সুবিধা তৈরি, পার্শ্ববর্তী কলেজ বা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ল্যাব ব্যবহার এবং টিচার্স ট্রেনিং কলেজের ল্যাব ব্যবহারের সুযোগ রাখা হয়েছে।

মূল্যায়নের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও অ্যাকাডেমিক মান বজায় রাখার নির্দেশ দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়। অভ্যন্তরীণ ও বহিঃপরীক্ষক যৌথভাবে ব্যবহারিক পরীক্ষা গ্রহণ, মূল্যায়ন এবং সংশ্লিষ্ট আনুষঙ্গিক কাজ শেষ করবেন। নির্ধারিত তারিখ ও সময়ে পরীক্ষকদের উপস্থিত থেকে পুরো কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হবে।

এ ছাড়া, পরীক্ষার সময় শৃঙ্খলা ও স্বচ্ছতা বজায় রাখার পাশাপাশি ব্যবহারিক পরীক্ষার নির্ধারিত নিয়ম যথাযথভাবে অনুসরণ করতে বলা হয়েছে।

পরীক্ষা শেষে সব পরীক্ষার্থীর ব্যবহারিক খাতা সংশ্লিষ্ট কলেজ বা কেন্দ্রে ফল প্রকাশের দিন থেকে চার মাস সংরক্ষণ করতে হবে।

আইসিটি বিষয়ের ব্যবহারিক পরীক্ষা আয়োজনের জন্য কলেজের অধ্যক্ষকে সংশ্লিষ্ট বিভাগের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পরীক্ষা শেষ করার কথাও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।