ঢাকা , রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
রিয়াদে এনটিভির ২৩ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন চট্টগ্রামে ‘বটতলী সমাজ কল্যাণ পরিষদ’-এর মতবিনিময় সভা ‎ফরিদগঞ্জে মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদ কমিটির মতবিনিময় ও বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে আশুলিয়ার জামগড়ায় পুলিশ-সন্ত্রাসী গোলাগুলি, এলাকাজুড়ে আতঙ্ক; অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন বিদেশি বিনিয়োগকারীরা আসুন, ব্যবসা প্রসারিত করুন: প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করছেন বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ আব্দুল মজিদ ফটো’র ২য় মৃত্যুবার্ষিকী শোককে শক্তিতে পরিণত করে এগোতে হবে: ডা. জুবাইদা দলীয় এমপির ভিডিও ভাইরাল ইস্যুতে যা বললো জামায়াত নানা আয়োজনে নুহাশপল্লীতে হুমায়ূন আহমেদকে স্মরণ

বুদ্ধের শিক্ষা বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে : প্রধান উপদেষ্টা

সাংবাদিক

প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, বিশ্বে বর্তমানে বিরাজমান অস্থিতিশীলতা দূরীকরণ ও বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় মহামতি গৌতম বুদ্ধের শিক্ষা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।

বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব ‘শুভ প্রবারণা পূর্ণিমা ও কঠিন চীবর দান’ উপলক্ষে শনিবার (৪ অক্টোবর) এক বাণীতে বাংলাদেশসহ বিশ্বের সব বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়েছেন তিনি।

প্রধান উপদেষ্টা তার বাণীতে উল্লেখ করেন, মহামতি গৌতম বুদ্ধ আজীবন মানুষের কল্যাণে এবং শান্তি প্রতিষ্ঠায় অহিংসা, সাম্য ও মৈত্রীর বাণী প্রচার করেছেন। তিনি বলেন, ‘শান্তি ও সম্প্রীতির মাধ্যমে আদর্শ সমাজ গঠনই ছিল তার মূল লক্ষ্য। তার আদর্শ মানবিকতা ও ত্যাগের মহিমায় সমুজ্জ্বল। তার অহিংস বাণী ও জীবপ্রেম আজও বিশ্বব্যাপী সমাদৃত।’

অধ্যাপক ইউনূস বাংলাদেশের বৌদ্ধ ঐতিহ্য তুলে ধরে বলেন, প্রাচীনকালে বর্তমান বাংলাদেশের অঞ্চলটি এশিয়ার বৌদ্ধধর্মের একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র ছিল, যার প্রমাণ দেশের বিভিন্ন স্থানে প্রাচীন বৌদ্ধ বিহারের অস্তিত্ব।
বাংলাদেশকে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ হিসেবে আখ্যায়িত করে তিনি বলেন, আবহমানকাল ধরে এ দেশে বিভিন্ন ধর্ম, বর্ণ ও গোত্রের মানুষ সৌহার্দপূর্ণ পরিবেশে বসবাস করে আসছে। জাতি হিসেবে দেশের সব অর্জন ও প্রাপ্তিতে জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবার অবদান রয়েছে।

নতুন বাংলাদেশের মানুষের প্রতি প্রত্যাশা ব্যক্ত করে তিনি বলেন, ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান-রবর্তী নতুন বাংলাদেশের মানুষের মাঝে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও সহিষ্ণুতা আরও দৃঢ় ও অটুট হবে এবং জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবার সম্মিলিত প্রয়াসে একটি বৈষম্যহীন, ন্যায়ানুগ ও মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন রাষ্ট্র গঠনের অভিযাত্রা মসৃণ ও সাফল্যমণ্ডিত হবে–এটাই আমার প্রত্যাশা।’

প্রধান উপদেষ্টা ‘শুভ প্রবারণা পূর্ণিমা ও কঠিন চীবর দান’ উৎসবের সার্বিক সফলতা কামনা করেন।

সূত্র: বাসস

ট্যাগ :

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপডেটের সময় : ০১:২৮:৪৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৫
৭৬০ Time View

বুদ্ধের শিক্ষা বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে : প্রধান উপদেষ্টা

আপডেটের সময় : ০১:২৮:৪৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৫

প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, বিশ্বে বর্তমানে বিরাজমান অস্থিতিশীলতা দূরীকরণ ও বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় মহামতি গৌতম বুদ্ধের শিক্ষা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।

বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব ‘শুভ প্রবারণা পূর্ণিমা ও কঠিন চীবর দান’ উপলক্ষে শনিবার (৪ অক্টোবর) এক বাণীতে বাংলাদেশসহ বিশ্বের সব বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়েছেন তিনি।

প্রধান উপদেষ্টা তার বাণীতে উল্লেখ করেন, মহামতি গৌতম বুদ্ধ আজীবন মানুষের কল্যাণে এবং শান্তি প্রতিষ্ঠায় অহিংসা, সাম্য ও মৈত্রীর বাণী প্রচার করেছেন। তিনি বলেন, ‘শান্তি ও সম্প্রীতির মাধ্যমে আদর্শ সমাজ গঠনই ছিল তার মূল লক্ষ্য। তার আদর্শ মানবিকতা ও ত্যাগের মহিমায় সমুজ্জ্বল। তার অহিংস বাণী ও জীবপ্রেম আজও বিশ্বব্যাপী সমাদৃত।’

অধ্যাপক ইউনূস বাংলাদেশের বৌদ্ধ ঐতিহ্য তুলে ধরে বলেন, প্রাচীনকালে বর্তমান বাংলাদেশের অঞ্চলটি এশিয়ার বৌদ্ধধর্মের একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র ছিল, যার প্রমাণ দেশের বিভিন্ন স্থানে প্রাচীন বৌদ্ধ বিহারের অস্তিত্ব।
বাংলাদেশকে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ হিসেবে আখ্যায়িত করে তিনি বলেন, আবহমানকাল ধরে এ দেশে বিভিন্ন ধর্ম, বর্ণ ও গোত্রের মানুষ সৌহার্দপূর্ণ পরিবেশে বসবাস করে আসছে। জাতি হিসেবে দেশের সব অর্জন ও প্রাপ্তিতে জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবার অবদান রয়েছে।

নতুন বাংলাদেশের মানুষের প্রতি প্রত্যাশা ব্যক্ত করে তিনি বলেন, ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান-রবর্তী নতুন বাংলাদেশের মানুষের মাঝে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও সহিষ্ণুতা আরও দৃঢ় ও অটুট হবে এবং জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবার সম্মিলিত প্রয়াসে একটি বৈষম্যহীন, ন্যায়ানুগ ও মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন রাষ্ট্র গঠনের অভিযাত্রা মসৃণ ও সাফল্যমণ্ডিত হবে–এটাই আমার প্রত্যাশা।’

প্রধান উপদেষ্টা ‘শুভ প্রবারণা পূর্ণিমা ও কঠিন চীবর দান’ উৎসবের সার্বিক সফলতা কামনা করেন।

সূত্র: বাসস