ঢাকা , বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রাকসুর ভোট গণনা শেষ হতে ১৫ ঘণ্টা লাগতে পারে: উপাচার্য

সাংবাদিক

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু), হল সংসদ ও সিনেটে ছাত্র প্রতিনিধি নির্বাচনের ফল ঘোষণা নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়টির উপাচার্য অধ্যাপক সালেহ হাসান নকীব বলেছেন, রাত সাড়ে ৮টার দিকে ভোট গণনা শুরু হয়েছে। শেষ হতে ১৪-১৫ ঘণ্টা সময় লাগতে পারে। সবকিছু গুছিয়ে ওএমআর মেশিনে উঠালে তেমন সময় লাগবে না।

আজ বৃহস্পতিবার রাত সোয়া নয়টার দিকে রাকসুর ভোট গণনা কেন্দ্র কাজী নজরুল ইসলাম মিলনায়তনে এ সমকালকে দেওয়া সাক্ষাতকারে তিনি এ কথা বলেন।

ভোট কারচুপি নিয়ে ছাত্রদলের অভিযোগ প্রসঙ্গে উপাচার্য বলেন, সুষ্ঠু সুন্দরভাবে নির্বাচন শেষ হয়েছে। একটা ভোটের উৎসব হয়েছে। কিছু কিছু অভিযোগ আছে, যেমন অমোচনীয় কালি মুছে যাওয়া, ব্যালটে স্বাক্ষর থাকা, কিছু লিফলেট পাবার কথা শুনেছি। এগুলো কোনোটাই ভোটগ্রহণের স্বচ্ছতা নষ্ট করেনি। জাল ভোট পড়া বা বড় কোনো অভিযোগ নাই।

তিনি বলেন, ভোটার উপস্থিতি বেশি থাকলে প্রিজাইডিং অফিসার কিছু ব্যালটে স্বাক্ষর করে রাখতেই পারেন। তবে অভিযোগ যেহেতু উঠেছে, তা নির্বাচন কমিশন খতিয়ে দেখবে।

তিনি বলেন, এই ভোট ছাত্র-ছাত্রীদের। তারা সন্তুষ্ট। এতেই আমার সন্তুষ্টি।

ট্যাগ :

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপডেটের সময় : ০৫:১৫:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৫
৯৪১ Time View

রাকসুর ভোট গণনা শেষ হতে ১৫ ঘণ্টা লাগতে পারে: উপাচার্য

আপডেটের সময় : ০৫:১৫:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৫

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু), হল সংসদ ও সিনেটে ছাত্র প্রতিনিধি নির্বাচনের ফল ঘোষণা নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়টির উপাচার্য অধ্যাপক সালেহ হাসান নকীব বলেছেন, রাত সাড়ে ৮টার দিকে ভোট গণনা শুরু হয়েছে। শেষ হতে ১৪-১৫ ঘণ্টা সময় লাগতে পারে। সবকিছু গুছিয়ে ওএমআর মেশিনে উঠালে তেমন সময় লাগবে না।

আজ বৃহস্পতিবার রাত সোয়া নয়টার দিকে রাকসুর ভোট গণনা কেন্দ্র কাজী নজরুল ইসলাম মিলনায়তনে এ সমকালকে দেওয়া সাক্ষাতকারে তিনি এ কথা বলেন।

ভোট কারচুপি নিয়ে ছাত্রদলের অভিযোগ প্রসঙ্গে উপাচার্য বলেন, সুষ্ঠু সুন্দরভাবে নির্বাচন শেষ হয়েছে। একটা ভোটের উৎসব হয়েছে। কিছু কিছু অভিযোগ আছে, যেমন অমোচনীয় কালি মুছে যাওয়া, ব্যালটে স্বাক্ষর থাকা, কিছু লিফলেট পাবার কথা শুনেছি। এগুলো কোনোটাই ভোটগ্রহণের স্বচ্ছতা নষ্ট করেনি। জাল ভোট পড়া বা বড় কোনো অভিযোগ নাই।

তিনি বলেন, ভোটার উপস্থিতি বেশি থাকলে প্রিজাইডিং অফিসার কিছু ব্যালটে স্বাক্ষর করে রাখতেই পারেন। তবে অভিযোগ যেহেতু উঠেছে, তা নির্বাচন কমিশন খতিয়ে দেখবে।

তিনি বলেন, এই ভোট ছাত্র-ছাত্রীদের। তারা সন্তুষ্ট। এতেই আমার সন্তুষ্টি।