ঢাকা , মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
নানা আয়োজনে নুহাশপল্লীতে হুমায়ূন আহমেদকে স্মরণ An Interesting Interview with the amazing Music Personality, Davide Pomponio প্রবাসী কার্ডের পরীক্ষামূলক উদ্বোধন আগামী মাসে, মিলবে যেসব সুবিধা সেনা হেফাজতে মোজাফফর- শহীদ জিয়া হত্যার বিষয়ে বেরিয়ে আসছে চাঞ্চল্যকর তথ্য সম্ভাব্য ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে গণসংযোগ করছেন ফারুক আহমেদ খাঁন স্থানীয় নির্বাচনের ভোটকেন্দ্র চূড়ান্ত ২৭ আগস্ট আবারও বিশ্বকাপ ফাইনালে আর্জেন্টিনা শেখ হাসিনা ফিরলে স্বচ্ছ বিচার হবে: তথ্য উপদেষ্টা টানা বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতা, কাউন্সিলর প্রার্থী মাসুদ মোল্লার উদ্যোগে বাঁশের সাঁকো নির্মাণ প্রবাসীদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট নানা সমসাময়িক বিষয় নিয়ে রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে প্রবাসী বাংলাদেশী সাংবাদিকদের গঠনমূলক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত।

জ্বালানি সঙ্কট মোকাবিলায় মাসে ১৫ হাজার টন তেল দেবে ভারত

সাংবাদিক

দেশে চলমান জ্বালানি সঙ্কট মোকাবিলায় প্রতি মাসে ১৫ হাজার টন জ্বালানি তেল দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে ভারত। এরই মধ্যে দুটি জাহাজে করে ৩০ হাজার টন ডিজেল দেশে এসে পৌঁছেছে।

মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সচিবালয়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত এসব তথ্য জানান।

প্রতিমন্ত্রী জানান, বর্তমানে জ্বালানির বাজার নিয়ে কিছুটা অস্থিরতা থাকলেও এখনই তেলের দাম বাড়ানোর কোনো পরিকল্পনা সরকারের নেই। একই সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত জানিয়েছেন, জ্বালানি সঙ্কট মোকাবিলায় ঢাকাকে সব ধরনের সহায়তা দেবে বেইজিং।

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের প্রভাবে দেশের জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা কাটছে না। সরকারের পক্ষ থেকে পর্যাপ্ত মজুত থাকার দাবি জানানো হলেও সাধারণ মানুষ আশ্বস্ত হতে পারছেন না। রাজধানীর বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে যানবাহনের দীর্ঘ লাইন দেখা গেছে।

সরকারি হিসাব অনুযায়ী, দেশে জ্বালানির চাহিদা উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। দৈনিক অকটেনের চাহিদা এক হাজার ১০০ টন থেকে বেড়ে দুই হাজার টনে দাঁড়িয়েছে। পেট্রোলের চাহিদা বেড়েছে প্রায় এক হাজার টন। আর ডিজেলের চাহিদা দ্বিগুণেরও বেশি বেড়ে বর্তমানে ২৫ হাজার টনে পৌঁছেছে।

চাহিদার এই অস্বাভাবিক উল্লম্ফনের কারণে সরকার বাধ্য হয়ে জ্বালানি বিক্রির ক্ষেত্রে লিটার বেঁধে দিয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত জানান, সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ভারত থেকে ডিজেল আমদানির পাশাপাশি সমুদ্রপথেও জ্বালানি আসছে। এই মজুত দিয়ে অনায়াসেই মার্চ মাস পার করা সম্ভব হবে। তবে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হলে সরকার বিকল্প ব্যবস্থার দিকে হাঁটছে। যুক্তরাষ্ট্র, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, সিঙ্গাপুরসহ আফ্রিকার বিভিন্ন দেশ থেকে জ্বালানি আমদানির পরিকল্পনা রয়েছে।

জালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এরই মধ্যে বেশ কয়েকটি দেশের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বৈঠক করেছেন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রী। বৈঠক শেষে চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন সংবাদমাধ্যমকে বলেন, জ্বালানি সঙ্কট মোকাবিলায় বাংলাদেশকে সব ধরনের সহযোগিতা করতে চীন প্রস্তুত রয়েছে।

জালানি মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বিদেশ থেকে আমদানির পাশাপাশি দেশে জ্বালানির অভ্যন্তরীণ মজুত বাড়ানোর উদ্যোগও পুরোদমে চলছে।

এদিকে সোমবার (৯ মার্চ) বিকেলে সিঙ্গাপুর থেকে আসা ২৭ হাজার মেট্রিক টন ডিজেলবাহী একটি বড়ো ট্যাংকার চট্টগ্রাম বন্দর জলসীমায় নোঙর করেছে বলে খবর পাওয়া গেছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপডেটের সময় : ০২:২৯:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬
৭৫৫ Time View

জ্বালানি সঙ্কট মোকাবিলায় মাসে ১৫ হাজার টন তেল দেবে ভারত

আপডেটের সময় : ০২:২৯:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬

দেশে চলমান জ্বালানি সঙ্কট মোকাবিলায় প্রতি মাসে ১৫ হাজার টন জ্বালানি তেল দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে ভারত। এরই মধ্যে দুটি জাহাজে করে ৩০ হাজার টন ডিজেল দেশে এসে পৌঁছেছে।

মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সচিবালয়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত এসব তথ্য জানান।

প্রতিমন্ত্রী জানান, বর্তমানে জ্বালানির বাজার নিয়ে কিছুটা অস্থিরতা থাকলেও এখনই তেলের দাম বাড়ানোর কোনো পরিকল্পনা সরকারের নেই। একই সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত জানিয়েছেন, জ্বালানি সঙ্কট মোকাবিলায় ঢাকাকে সব ধরনের সহায়তা দেবে বেইজিং।

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের প্রভাবে দেশের জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা কাটছে না। সরকারের পক্ষ থেকে পর্যাপ্ত মজুত থাকার দাবি জানানো হলেও সাধারণ মানুষ আশ্বস্ত হতে পারছেন না। রাজধানীর বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে যানবাহনের দীর্ঘ লাইন দেখা গেছে।

সরকারি হিসাব অনুযায়ী, দেশে জ্বালানির চাহিদা উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। দৈনিক অকটেনের চাহিদা এক হাজার ১০০ টন থেকে বেড়ে দুই হাজার টনে দাঁড়িয়েছে। পেট্রোলের চাহিদা বেড়েছে প্রায় এক হাজার টন। আর ডিজেলের চাহিদা দ্বিগুণেরও বেশি বেড়ে বর্তমানে ২৫ হাজার টনে পৌঁছেছে।

চাহিদার এই অস্বাভাবিক উল্লম্ফনের কারণে সরকার বাধ্য হয়ে জ্বালানি বিক্রির ক্ষেত্রে লিটার বেঁধে দিয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত জানান, সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ভারত থেকে ডিজেল আমদানির পাশাপাশি সমুদ্রপথেও জ্বালানি আসছে। এই মজুত দিয়ে অনায়াসেই মার্চ মাস পার করা সম্ভব হবে। তবে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হলে সরকার বিকল্প ব্যবস্থার দিকে হাঁটছে। যুক্তরাষ্ট্র, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, সিঙ্গাপুরসহ আফ্রিকার বিভিন্ন দেশ থেকে জ্বালানি আমদানির পরিকল্পনা রয়েছে।

জালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এরই মধ্যে বেশ কয়েকটি দেশের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বৈঠক করেছেন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রী। বৈঠক শেষে চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন সংবাদমাধ্যমকে বলেন, জ্বালানি সঙ্কট মোকাবিলায় বাংলাদেশকে সব ধরনের সহযোগিতা করতে চীন প্রস্তুত রয়েছে।

জালানি মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বিদেশ থেকে আমদানির পাশাপাশি দেশে জ্বালানির অভ্যন্তরীণ মজুত বাড়ানোর উদ্যোগও পুরোদমে চলছে।

এদিকে সোমবার (৯ মার্চ) বিকেলে সিঙ্গাপুর থেকে আসা ২৭ হাজার মেট্রিক টন ডিজেলবাহী একটি বড়ো ট্যাংকার চট্টগ্রাম বন্দর জলসীমায় নোঙর করেছে বলে খবর পাওয়া গেছে।