ঢাকা , শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬, ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
শিশু রামিসাকে ধর্ষণ-হত্যা: এক সপ্তাহের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দিতে আইনমন্ত্রীর নির্দেশ ফরিদগঞ্জ সন্ত্রাসী গোষ্ঠী রিয়াদ বাহীনির অত্যাচারে অতিষ্ঠ এলাকায় বাসী চাঁদপুরস্থ কচুয়া উপজেলা আইনজীবী কল্যাণ সমিতির-২০২৬ কার্যকরী কমিটি গঠন এপেক্স ক্লাব অফ চাঁদপুরের ডিনার মিটিং অনুষ্ঠিত ঠাকুরগাঁওয়ের আউলিয়াপুরে ঈদ উপলক্ষে ভিজিএফের চাল বিতরণ সম্পন্ন প্রবাসীদের ভালোবাসায় সিক্ত মাসুদ সাঈদী এমপি কুয়ালালামপুরে Istanbul Hotel & Resort Limited-এর সংবর্ধনা ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত আরব দেশগুলোর অনুরোধে ইরানে নতুন হামলা স্থগিতের ঘোষণা ট্রাম্পের মালয়শিয়া রাষ্ট্র সংস্কার, গণভোটের রায় বাস্তবায়ন ও প্রবাসীদের ভাবনা শীর্ষক আলোচনা সভা শোকের ছায়া হাজীগঞ্জে প্রবীণ রাজনীতিবিদ ও শিক্ষক মোঃ মিজানুর রহমান খানের ইন্তেকালে বাকিলাজুড়ে শোকের মাতম জাতীয় সংসদে সাবেক প্রতিমন্ত্রী সিনহার জানাজা, অংশ নিলেন প্রধানমন্ত্রী

নিজের জুস পান করে অজ্ঞান পার্টির সদস্যই অচেতন

সাংবাদিক
ট্রেনের যাত্রী মা-মেয়েকে জুস পান করিয়ে অজ্ঞান করে খুলে নেন কানের দুল ও নাকের ফুল। এ সময় পাশের যাত্রী ঘটনাটি আঁচ করতে পেরে হাতেনাতে অজ্ঞান পার্টির সদস্য ফুল মিয়াকে (৫৫) আটক করেন। পরে যাত্রীরা তাঁর কাছে থাকা জুস যাচাই করতে তাঁকে পান করালে তিনি অজ্ঞান হয়ে লুটিয়ে পড়েন। সৈয়দপুর রেলওয়ে পুলিশ দুই ভুক্তভোগীসহ অজ্ঞান পার্টির সদস্যকে উদ্ধার করে সৈয়দপুর রেলওয়ে হাসপাতালে ভর্তি করে।

ফুল মিয়া রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার আব্দুল্লাপুরের আব্দুস ছামাদের ছেলে। ভুক্তভোগী যাত্রীরা হলেন ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ উপজেলার করনাই এলাকার দক্ষিণ মালঞ্চ গ্রামের ইশনী রায়ের স্ত্রী কৌশিলা রায় (৫০) ও মেয়ে বীথি রানী (২৮)।

রেলওয়ে পুলিশ জানায়, আজ শনিবার ভোরে খুলনা থেকে ছেড়ে আসা চিলাহাটিগামী সীমান্ত এক্সপ্রেস ট্রেনের ’ঝ’ বগির ৭৮, ৭৯ নম্বর সিটের যাত্রী ছিলেন কৌশিলা ও বীথি। তাঁরা দিনাজপুরের বিরামপুর স্টেশন থেকে সৈয়দপুরে আসছিলেন। পাশের ৭৭ নম্বর সিটের যাত্রী ছিলেন অজ্ঞান পার্টি চক্রের মূল হোতা ফুল মিয়া। আলাপচারিতার একপর্যায়ে মা-মেয়েকে জুস পান করান তিনি। এতে ভুক্তভোগীরা অজ্ঞান হয়ে পড়লে তাঁদের কানের দুল ও নাকের ফুল খুলে নেন।

এ সময় পাশের যাত্রী আব্দুর রহিম (অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা) বিষয়টি আঁচ করতে পেরে ফুল মিয়াকে আটক করে ওই বগির যাত্রীদের বিষয়টি অবগত করেন। আটক ওই প্রতারক বিষয়টি অস্বীকার করলে যাত্রীরা তাঁর কাছে থাকা জুস তাঁকে পান করতে বাধ্য করেন। এতে ফুল মিয়া নিজেই অজ্ঞান হয়ে পড়লে সবার কাছে প্রতারণার বিষয়টি নিশ্চিত হয়। যাত্রীরা তাৎক্ষণিক ট্রেনে দায়িত্বরত পুলিশকে অবগত করে তাদের হাতে তুলে দেয়।

সৈয়দপুর রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাহমুদ-উন নবী জানান, দুই ভুক্তভোগীসহ অজ্ঞান পার্টির মূল হোতাকে সৈয়দপুর রেলওয়ে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় কৌশিলা রায়ের ছেলে রবীন্দ্র নাথ রায় বাদী হয়ে একটি মামলা করেছেন। তিনি বলেন, অজ্ঞান পার্টির মূল হোতা ফুল মিয়ার নামে দেশের বিভিন্ন রেলওয়ে থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। ভুক্তভোগী ও আসামির জ্ঞান এখনো ফেরেনি।

সূত্র: আজকের পত্রিকা

ট্যাগ :

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপডেটের সময় : ০৮:৩২:৫৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৫
১০৮৫ Time View

নিজের জুস পান করে অজ্ঞান পার্টির সদস্যই অচেতন

আপডেটের সময় : ০৮:৩২:৫৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৫
ট্রেনের যাত্রী মা-মেয়েকে জুস পান করিয়ে অজ্ঞান করে খুলে নেন কানের দুল ও নাকের ফুল। এ সময় পাশের যাত্রী ঘটনাটি আঁচ করতে পেরে হাতেনাতে অজ্ঞান পার্টির সদস্য ফুল মিয়াকে (৫৫) আটক করেন। পরে যাত্রীরা তাঁর কাছে থাকা জুস যাচাই করতে তাঁকে পান করালে তিনি অজ্ঞান হয়ে লুটিয়ে পড়েন। সৈয়দপুর রেলওয়ে পুলিশ দুই ভুক্তভোগীসহ অজ্ঞান পার্টির সদস্যকে উদ্ধার করে সৈয়দপুর রেলওয়ে হাসপাতালে ভর্তি করে।

ফুল মিয়া রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার আব্দুল্লাপুরের আব্দুস ছামাদের ছেলে। ভুক্তভোগী যাত্রীরা হলেন ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ উপজেলার করনাই এলাকার দক্ষিণ মালঞ্চ গ্রামের ইশনী রায়ের স্ত্রী কৌশিলা রায় (৫০) ও মেয়ে বীথি রানী (২৮)।

রেলওয়ে পুলিশ জানায়, আজ শনিবার ভোরে খুলনা থেকে ছেড়ে আসা চিলাহাটিগামী সীমান্ত এক্সপ্রেস ট্রেনের ’ঝ’ বগির ৭৮, ৭৯ নম্বর সিটের যাত্রী ছিলেন কৌশিলা ও বীথি। তাঁরা দিনাজপুরের বিরামপুর স্টেশন থেকে সৈয়দপুরে আসছিলেন। পাশের ৭৭ নম্বর সিটের যাত্রী ছিলেন অজ্ঞান পার্টি চক্রের মূল হোতা ফুল মিয়া। আলাপচারিতার একপর্যায়ে মা-মেয়েকে জুস পান করান তিনি। এতে ভুক্তভোগীরা অজ্ঞান হয়ে পড়লে তাঁদের কানের দুল ও নাকের ফুল খুলে নেন।

এ সময় পাশের যাত্রী আব্দুর রহিম (অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা) বিষয়টি আঁচ করতে পেরে ফুল মিয়াকে আটক করে ওই বগির যাত্রীদের বিষয়টি অবগত করেন। আটক ওই প্রতারক বিষয়টি অস্বীকার করলে যাত্রীরা তাঁর কাছে থাকা জুস তাঁকে পান করতে বাধ্য করেন। এতে ফুল মিয়া নিজেই অজ্ঞান হয়ে পড়লে সবার কাছে প্রতারণার বিষয়টি নিশ্চিত হয়। যাত্রীরা তাৎক্ষণিক ট্রেনে দায়িত্বরত পুলিশকে অবগত করে তাদের হাতে তুলে দেয়।

সৈয়দপুর রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাহমুদ-উন নবী জানান, দুই ভুক্তভোগীসহ অজ্ঞান পার্টির মূল হোতাকে সৈয়দপুর রেলওয়ে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় কৌশিলা রায়ের ছেলে রবীন্দ্র নাথ রায় বাদী হয়ে একটি মামলা করেছেন। তিনি বলেন, অজ্ঞান পার্টির মূল হোতা ফুল মিয়ার নামে দেশের বিভিন্ন রেলওয়ে থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। ভুক্তভোগী ও আসামির জ্ঞান এখনো ফেরেনি।

সূত্র: আজকের পত্রিকা