ঢাকা , শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬, ১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ফরিদগঞ্জের সুবিদপুর ওল্ড স্কীম দাখিল মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা পেল নতুন সভাপতি সাংবাদিক মনিরের আর্থিক সহায়তা প্রতিবন্ধীদের অধিকার সুরক্ষা ও সেবা নিশ্চিতের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর বসুন্ধরা পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজে ‘লার্ন অ্যান্ড গ্রো’-এর রোবটিক্স কর্মশালা অনুষ্ঠিত সফলভাবে সম্পন্ন হলো “Study & Career Opportunities in Japan” শীর্ষক সেমিনার সময় টিভি দখলে ‘মাস্টারপ্ল্যান’: নেপথ্যে সিআরআই সিন্ডিকেট, গুলশান কার্যালয় উত্তাল! বাংলাদেশ প্রেসক্লাব ইউএইর নতুন কমিটি গঠন: সভাপতি মামুনুর রশীদ, সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল শাহীন তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন বিজয় আর কোনো স্বৈরাচার যেন পুলিশকে জনগণের বিরুদ্ধে ব্যবহার করতে না পারে: প্রধানমন্ত্রী চট্টগ্রামে বিআইএমএএসসি ও প্যান সলিউশনের প্রশিক্ষণ কর্মশালা সম্পন্ন ৪১৩ রানে প্রথম ইনিংস থামল বাংলাদেশের

সংস্কার একটি জীবন্ত প্রক্রিয়া, যা জনগণের কাছে পৌঁছে দিতে হবে : প্রধান বিচারপতি

সাংবাদিক

প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ বলেছেন, সংস্কার শুধু আইন বা অধ্যাদেশে সীমাবদ্ধ কোন বিষয় নয়। এটি একটি জীবন্ত প্রক্রিয়া, যা জনগণের কাছে পৌঁছে দিতে হবে। সে কারণেই আমি আমার সংস্কার রোডম্যাপ নিয়ে দেশের পথে নেমেছি। তিনি বলেন, আজ আমি দৃঢ়তার সাথে বলতে পারি, এই সংস্কারের লক্ষ্যের প্রায় আশি শতাংশ ইতিমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে, আর বাকি পদক্ষেপ আমাদের নাগালের মধ্যেই রয়েছে।

আজ রবিবার বিকেলে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি আয়োজিত ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান: বিচার বিভাগের সংস্কার’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন প্রধান বিচারপতি। সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি মিলনায়তনে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

সমিতির সভাপতি ব্যারিস্টার এএম মাহবুব উদ্দিন খোকনের সভাপতিত্বে এবং সম্পাদক মো. মাহফুজুর রহমান মিলনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান, বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন, গণফোরামের কার্যকরি সভাপতি অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী, বিএনপির আইন সম্পাদক ব্যারিস্টার কায়সার কামাল প্রমূখ।
প্রধান বিচারপতি বলেন, ২০২৪ সালের জুলাইয়ের গণজাগরণ আমাদের সামনে আয়না ধরেছিল।

সেপ্টেম্বরের রোডম্যাপ ছিল আমার উত্তর। সরকারের কাছে প্রেরিত সংস্কার প্রস্তাব, জুডিশিয়াল অ্যাপয়েন্টমেন্ট কাউন্সিলের সৃষ্টি, সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল পুনঃপ্রতিষ্ঠা, দুটি নতুন নীতামালা প্রণয়ন, দেশব্যাপী সংস্কার রোডশো, বাণিজ্যিক আদালতের প্রস্তুতি— সবই প্রমাণ করে, আমরা কথায় নয়, কাজে সংস্কার বেছে নিয়েছি।তিনি বলেন, গত বছর ২১ সেপ্টেম্বর আমি বিচার বিভাগের সংস্কার রোডম্যাপ ঘোষণা করেছিলাম। সেই ঘোষণা ছিল আত্মসমালোচনার অঙ্গীকার, যা বিচারব্যবস্থা নিজেকেই ভেতর থেকে সংস্কার করবে।

এরপর থেকে আমি দৃঢ়ভাবে চেষ্টা করে যাচ্ছি আমাদের স্বায়ত্তশাসনকে শক্তিশালী করতে, সেবাকে গতিশীল করতে। বিচার বিভাগের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পৃথক সচিবালয় প্রতিষ্ঠার চেষ্টাও অব্যহত রয়েছে।সংস্কার প্রক্রিয়ায় পাশে থাকায় আইনজীবী সমিতিকে ধন্যবাদ জানিয়ে প্রধান বিচারপতি বলেন, এইসব কিছুই সম্ভব হতো না যদি বার আমাদের পাশে না থাকত। জেলাগুলোতে বার অ্যাসোসিয়েশন আমাদের সঙ্গে একত্রে হেঁটেছে, তারা প্রমাণ করেছে সংস্কার শুধু বিচারকদের কাজ নয়। আর ঢাকায়, সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশন ছিল আমাদের ঘনিষ্ঠ সহযোগী।

ট্যাগ :

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপডেটের সময় : ০৫:৩০:৫০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৫
৮৪৮ Time View

সংস্কার একটি জীবন্ত প্রক্রিয়া, যা জনগণের কাছে পৌঁছে দিতে হবে : প্রধান বিচারপতি

আপডেটের সময় : ০৫:৩০:৫০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৫

প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ বলেছেন, সংস্কার শুধু আইন বা অধ্যাদেশে সীমাবদ্ধ কোন বিষয় নয়। এটি একটি জীবন্ত প্রক্রিয়া, যা জনগণের কাছে পৌঁছে দিতে হবে। সে কারণেই আমি আমার সংস্কার রোডম্যাপ নিয়ে দেশের পথে নেমেছি। তিনি বলেন, আজ আমি দৃঢ়তার সাথে বলতে পারি, এই সংস্কারের লক্ষ্যের প্রায় আশি শতাংশ ইতিমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে, আর বাকি পদক্ষেপ আমাদের নাগালের মধ্যেই রয়েছে।

আজ রবিবার বিকেলে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি আয়োজিত ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান: বিচার বিভাগের সংস্কার’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন প্রধান বিচারপতি। সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি মিলনায়তনে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

সমিতির সভাপতি ব্যারিস্টার এএম মাহবুব উদ্দিন খোকনের সভাপতিত্বে এবং সম্পাদক মো. মাহফুজুর রহমান মিলনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান, বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন, গণফোরামের কার্যকরি সভাপতি অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী, বিএনপির আইন সম্পাদক ব্যারিস্টার কায়সার কামাল প্রমূখ।
প্রধান বিচারপতি বলেন, ২০২৪ সালের জুলাইয়ের গণজাগরণ আমাদের সামনে আয়না ধরেছিল।

সেপ্টেম্বরের রোডম্যাপ ছিল আমার উত্তর। সরকারের কাছে প্রেরিত সংস্কার প্রস্তাব, জুডিশিয়াল অ্যাপয়েন্টমেন্ট কাউন্সিলের সৃষ্টি, সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল পুনঃপ্রতিষ্ঠা, দুটি নতুন নীতামালা প্রণয়ন, দেশব্যাপী সংস্কার রোডশো, বাণিজ্যিক আদালতের প্রস্তুতি— সবই প্রমাণ করে, আমরা কথায় নয়, কাজে সংস্কার বেছে নিয়েছি।তিনি বলেন, গত বছর ২১ সেপ্টেম্বর আমি বিচার বিভাগের সংস্কার রোডম্যাপ ঘোষণা করেছিলাম। সেই ঘোষণা ছিল আত্মসমালোচনার অঙ্গীকার, যা বিচারব্যবস্থা নিজেকেই ভেতর থেকে সংস্কার করবে।

এরপর থেকে আমি দৃঢ়ভাবে চেষ্টা করে যাচ্ছি আমাদের স্বায়ত্তশাসনকে শক্তিশালী করতে, সেবাকে গতিশীল করতে। বিচার বিভাগের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পৃথক সচিবালয় প্রতিষ্ঠার চেষ্টাও অব্যহত রয়েছে।সংস্কার প্রক্রিয়ায় পাশে থাকায় আইনজীবী সমিতিকে ধন্যবাদ জানিয়ে প্রধান বিচারপতি বলেন, এইসব কিছুই সম্ভব হতো না যদি বার আমাদের পাশে না থাকত। জেলাগুলোতে বার অ্যাসোসিয়েশন আমাদের সঙ্গে একত্রে হেঁটেছে, তারা প্রমাণ করেছে সংস্কার শুধু বিচারকদের কাজ নয়। আর ঢাকায়, সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশন ছিল আমাদের ঘনিষ্ঠ সহযোগী।