হাজারীবাগে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার
রাজধানীর হাজারীবাগের একটি বাসা থেকে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির এক শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
রাফসাদ মোস্তফা রুহিন (২২) ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।
স্বজন ও পুলিশের ধারণা, এক তরুণীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কের টানাপোড়েনের জেরে তিনি আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন।
বুধবার সকালে ডাইনিং রুমসংলগ্ন একটি ছোট কক্ষে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করার তথ্য দেন হাজারীবাগ থানার এসআই মো. শামীম মিয়া।
স্বজনদের ধারণা, মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১টা থেকে ৩টার মধ্যে কোনো একসময় গলায় ফাঁস দেন রাফসাদ। বুধবার সকালে তাকে ডাকাডাকি করে কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে থানায় খবর দেওয়া হয়। পরে পুলিশ গিয়ে দরজা ভেঙে তার মরদেহ উদ্ধার করে।
এসআই শামীম বলেন, জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯ এ খবর পেয়ে দুপুরে ওই বাসা থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ ও হাসপাতালের নথি অনুযায়ী, রাফসাদের গ্রামের বাড়ি মুন্সীগঞ্জের সিপাহীপাড়ায়। হাজারীবাগের ঝিগাতলা সড়কের একটি বাসার পঞ্চম তলার একটি ফ্ল্যাটে মায়ের সঙ্গে থাকতেন তিনি। দুই ভাইয়ের মধ্যে তার বড় ভাই মালয়েশিয়ায় থাকেন।
রাফসাদের লাশ বুধবার বিকালে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানোর তথ্য দেন হাজারীবাগ থানার ওসি মোশাররফ হোসেন।
স্বজনদের বরাতে মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে তিনি বলেন, “ছেলেটির একটি মেয়ের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। বিষয়টি দুই পরিবারেরই জানা ছিল। পরিবারের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, মেয়েটির সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে তাদের মনোমালিন্য ও মান-অভিমান চলছিল। এ কারণে আত্মহত্যা করে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।”
প্রয়াতের খালাতো ভাই ইমতিয়াজ কামাল বলেন, মঙ্গলবার রাত আনুমানিক ১২টার দিকে ফোনে রাফসাদের সঙ্গে তার কথা হয়। তখন রাফসাদ জানিয়েছিলেন, জিম শেষ করে একটি সেলুনে চুল কাটাতে গেছেন। সেখান থেকে তার বিমানবন্দরে যাওয়ার কথা ছিল। তবে সময়ের অভাবে শেষ পর্যন্ত তিনি বিমানবন্দরে যাননি।
ইমতিয়াজ বলেন, বছরখানেক ধরে এক তরুণীর সঙ্গে রাফসাদের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। ওই সম্পর্কের মধ্যে মনোমালিন্যের জেরে তিনি আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।























হাজারীবাগে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার