অভিষেক ঝড় সামলাতে পারল না আফগানরা, দেশের মাটিতে ‘অতিথি’ ভারতের জয়
ভারতের মাটিতে ভারতকে আতিথেয়তা দিতে গিয়ে পর্যদুস্ত হলো আফগানিস্তান। ৭ উইকেটে হারল তারা। নিজ মাঠে অ্যাওয়ে ম্যাচ খেলতে নেমে দাপট দেখাল ভারত। দিল্লির অরুণ জেটলি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টিতে ঝড় তোলেন অভিষেক শর্মা।
আগে ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ পেয়ে আফগানিস্তান পঞ্চাশের আগেই তাদের অর্ধেক ব্যাটারদের হারিয়ে ফেলে। কিন্তু আজমতউল্লাহ ওমরজাইয়ের ৪৪ বলে অপরাজিত ৬৪ রানের সৌজন্যে ৮ উইকেটে ১৫৬ করে তারা। কিন্তু সেই পুঁজি আফগানদের জেতার জন্য যথেষ্ট ছিল না। অভিষেক ও ইশান কিষাণ দ্রুত ১২১ রান যোগ করেন এবং ভারত ১৪তম ওভারে জিতে যায়।
ভারতের টি-টোয়েন্টি একাদশে ফিরে সাঞ্জু স্যামসন দুটি বাউন্ডারি মারেন। কিন্তু তাড়াহুড়ো করে পুল করতে গিয়ে আজমতউল্লাহর শিকার হন তিনি। তারপর অভিষেক ও কিষাণের ইতিবাচক ব্যাটিং। সুযোগ বুঝে চার-ছক্কা হাঁকিয়েছেন দুজনেই। অভিষেক ৩৪২০ বলে দ্বিতীয় দ্রুততম ৬ হাজার টি-টোয়েন্টি রানের মাইলফলক ছোঁন। পাওয়ার প্লেতেই তারা তোলে ১ উইকেটে ৮২ রান।
২২ বলে ফিফটি করা অভিষেককে শান্ত রাখতে পারেননি রশিদ খানও। তার প্রথম দুই ওভারে ভারতীয় ওপেনার দুটি চার ও এক ছক্কা মারেন। নুর আহমেদের এক ওভারে দুটি ছক্কা আসে তার ব্যাট থেকে। মোহাম্মদ নবীকে ছয় মেরে আশির ঘরে গিয়ে মিসহিটে ডিপ মিডউইকেটে রশিদের ক্যাচ হন অভিষেক। ৩২ বলে সাতটি করে চার ও ছয়ে ৮২ রান করেছিলেন এই বাঁহাতি ব্যাটার।
আরেক বাঁহাতি কিষাণ আট রানের জন্য ফিফটির আক্ষেপ নিয়ে পরের ওভারে উইকেট হারান। শ্রেয়াস আইয়ার ও তিলক ভার্মা জয়ের আনুষ্ঠানিকতা সারেন। ১৩.৪ ওভারে জিতে যায় ভারত।
এর আগে ব্যাটিংয়ে নেমে ৪৩ রানে ৫ উইকেট হারায় আফগানরা। সেখান থেকে মোহাম্মদ নবীর সঙ্গে ৫৬ বলে ৮৩ রানের জুটিতে দলকে টেনে তোলেন আজমতউল্লাহ। শেষ দিকে মুজিব উর রহমান ও তার ৯ বলে ২৫ রানের জুটিতে স্কোর দেড়শ পার হয়।



























কেন নাকভির কাছ থেকে ট্রফি নিল না ভারত? জানাল বিসিসিআই